ঢাকা    বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
নগদ বার্তা
সর্বশেষ

ইরাকে নিহত মনোহারের পরিবারকে ১ মাসের বাজার করে দিলেন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ

 প্রবাসী ও সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের  কল্যাণে মানবিক কাজে সব সময় এগিয়ে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী অরাজনৈতিক সংগঠন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর। গত ২৪ শে মে ইরাকের কূর্দিস্থানে  সড়কদুর্ঘটনায়  নিহত হয় ঘুঘুমারী এলাকার খলিলের ছেলে মনোহার আলী (৩৬) ও কোয়ালিকান্দি এলাকার আলাউদ্দীন মাষ্টারের ছেলে বজলু রহমান (৩৫)। গত ৫ জুন/২০২৬ ইং তারিখে ইরাকে নিহত মনোহার আলী'র পরিবারের খোঁজ খবর নেন সংগঠনের সভাপতি সহ নেতৃবৃন্দ।  দুইদিন পর শনিবার বিকালে নিহতের পরিবারের কাছে নাজির শাইল চাউল ৫০ কেজি, সয়াবিন তেল ৫ লিটার,  আলু ১০ কেজি,পিয়াজ ১০ কেজি, রসুন ২ কেজি, মসুর ডাল ২ কেজি, চিনি ২ কেজি, চিড়া,গোড়া সাবান,মুরগী, মাছ, নারিকেল তেল, সাবান,ডিমসহ১ মাসের নিত্যপণ্যের বাজার তুলে দেন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর। এরপর কোয়ালিকান্দি এলাকার আলাউদ্দীন মাষ্টারের ছেলে বজলু রহমান (৩৫) এর পরিবারের খোঁজ খবর নেন সংগঠনের সদস্যরা। এ সময় মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর এর  উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য শাহজাহান সিরাজ ও সামিউল ইসলাম ,কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম রুবেল, সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এস কে় কাউসার আহমদ, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোঃ শিপন মিয়া, সহকারী কোষাধ্যক্ষ  আতিকুর রহমান,  আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক  এম ডি মামুন ও কার্যকরী সদস্য আব্দুল করিম মোহনসহ নিহতের পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।নিহত মনোহার আলীর পরিবারকে বিদেশ থেকে মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে ও  আর্থিকভাবে সহযোগীতার আশ্বাস দেন এবং  কোয়ালিকান্দি এলাকার বজলুর পরিবারকেও মরদেহ দেশে আনার ব্যাপারে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন মাদারগঞ্জ প্রবাসী কল্যাণ পরিষদ জামালপুর এর সদস্যবৃন্দরা।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে নিশ্চিত নয় পুলিশ / সকালে আমগাছে মিলল বৃদ্ধের নিথর দেহ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় একটি আমগাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে উপজেলার পাথর্শী ইউনিয়নের লাউদত্ত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম হযরত আলী (৬০)।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বাড়ির পাশের একটি আমগাছে ওই বৃদ্ধকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার গলায় রশি বাঁধা ছিল বলে জানা গেছে। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।খবর পেয়ে ইসলামপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো ঘটনার ফল—সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অনেকেই জানিয়েছেন, হযরত আলী দীর্ঘদিন ধরে ওই গ্রামে বসবাস করছিলেন। তবে কী কারণে তার এমন পরিণতি হলো, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

সকালে আমগাছে মিলল বৃদ্ধের নিথর দেহ

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করা হতে পারে এবং ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর মাস থেকে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আচরণবিধি ও বিধিমালায় সংশোধন আনার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কাঠামো অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম ইউপি নির্বাচন দিয়েই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হতে পারে। এর মধ্যে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের শর্ত প্রত্যাহার, পোস্টারবিহীন প্রচারণা এবং ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়গুলো রয়েছে। একই সঙ্গে ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থাও থাকছে না।নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য আলাদা অঙ্গীকারনামার পরিবর্তে হলফনামার সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থীতা সীমাবদ্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত জানাতে পারেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এই প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে
ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।

উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা / চীনের আমন্ত্রণে বিএনপির ২০ তরুণ নেতার সফর জুনে

চীনের সরকারি আমন্ত্রণে আগামী জুন মাসে দেশটি সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও সহযোগী সংগঠনের ২০ জন তরুণ নেতা। ৪ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৪ জুন পর্যন্ত চলবে এ সফর। পুরো সফরের ব্যয়ভার বহন করবে চীন সরকার।জানা গেছে, সফরের সময় প্রতিনিধি দলটি চীনের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তৃণমূল প্রশাসনিক কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ পাবে। পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও আধুনিকায়নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা অর্জন করবেন তারা।চীনা দূতাবাস সূত্রে প্রকাশিত তালিকায় থাকা তরুণ নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মো. মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া, খন্দকার এনামুল হক, গালিব হাসান প্রীতম, মেহেদী হাসান জুয়েল, শ্যামল মওলা, শ্রাবণী আক্তার, নওশীন নাহার, সেলিমা বিনতে তারিন এবং জান্নাতুল নওরীন উর্মিসহ আরও অনেকে।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-কে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে সফরের আমন্ত্রণ জানান।সফরে অংশ নেওয়া কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জান্নাতুল নওরীন উর্মি এ সুযোগকে তরুণ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, আন্তর্জাতিক বাস্তবতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণ সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরিতে সহায়ক হবে।সফরসূচি অনুযায়ী প্রতিনিধি দলটি চীনের চংকিং ও সাংহাই শহর পরিদর্শন করবে। সেখানে তারা গ্রামীণ পুনরুজ্জীবন, শিল্প উৎপাদন, উচ্চপর্যায়ের উন্মুক্ত অর্থনীতি ও স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক ঘুরে দেখবেন। এছাড়া চীনের নীতিনির্ধারক, গবেষক ও থিংক ট্যাংক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময়েরও সুযোগ পাবেন তারা।

এক মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লেখযোগ্য উল্লম্ফন, আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে ১৫ শতাংশের বেশি / প্রবাসীদের পাঠানো অর্থে নতুন রেকর্ড, মে মাসে দেশে এলো সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি

ঢাকা: দেশের অর্থনীতিতে স্বস্তির বার্তা এনে মে মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন। সদ্য সমাপ্ত মাসে ব্যাংকিং চ্যানেলে মোট ৩.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহকে আরও শক্তিশালী করেছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে দেশে মোট ৩ হাজার ৪২৫.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই মাসে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ২ হাজার ৯৬৯.৫ মিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় ১৫.৩৪ শতাংশ।এদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৩২.৭৬ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে প্রাপ্ত ২৭.৫১ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৯ শতাংশেরও বেশি।অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনা রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমিট্যান্সের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও মজবুত করবে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় সামাল দেওয়া, বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করা হতে পারে এবং ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর মাস থেকে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আচরণবিধি ও বিধিমালায় সংশোধন আনার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কাঠামো অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম ইউপি নির্বাচন দিয়েই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হতে পারে। এর মধ্যে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের শর্ত প্রত্যাহার, পোস্টারবিহীন প্রচারণা এবং ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়গুলো রয়েছে। একই সঙ্গে ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থাও থাকছে না।নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য আলাদা অঙ্গীকারনামার পরিবর্তে হলফনামার সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থীতা সীমাবদ্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত জানাতে পারেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এই প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করা হতে পারে এবং ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর মাস থেকে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আচরণবিধি ও বিধিমালায় সংশোধন আনার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কাঠামো অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম ইউপি নির্বাচন দিয়েই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হতে পারে। এর মধ্যে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের শর্ত প্রত্যাহার, পোস্টারবিহীন প্রচারণা এবং ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়গুলো রয়েছে। একই সঙ্গে ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থাও থাকছে না।নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য আলাদা অঙ্গীকারনামার পরিবর্তে হলফনামার সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থীতা সীমাবদ্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত জানাতে পারেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এই প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

কোন ভিডিও নেই !
কোন ভিডিও নেই !
যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

যমুনা ফিউচার পার্কে ‘ঈদ বাজার’ উৎসব

পোশাক কেনার সঙ্গে ঘোরাঘুরি ক্রেতাদের আনন্দে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে যমুনায় আসছেন সব বয়সি মানুষ। মা-বাবার হাত ধরে আসছে পরিবারের ছোট সদস্যও। বাহারি ডিজাইনের পোশাকের সঙ্গে কিনছে রং-বেরংয়ের খেলনা। চড়ছে নানা রাইডে। দিনভর কেনাকাটা শেষে রসনা তৃপ্তিতে ফুডকোর্টে লোভনীয় মজাদার খাবারও রয়েছে। সবশেষে সিনেমা দেখে খুশি মনে সবাই ফিরছেন বাড়ি। সব মিলিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটা করতে আসা সবাই ঈদের আগেই যেন ঈদ আনন্দ উপভোগ করছেন।শপিংমল কর্তৃপক্ষ জানায়, ঈদের কেনাকাটার সেরা গন্তব্য হিসাবে যমুনা ফিউচার পার্কে ১৫শর বেশি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড নিয়ে এবারের ‘ঈদ বাজার’ উৎসব সাজানো হয়েছে। যেখানে থাকছে ঐতিহ্যবাহী পোশাক, ডিজাইনার কালেকশন, ইলেকট্রনিক্স, এক্সেসরিজ, জুতা, পারফিউম, হোম ডেকরসহ আরও অনেক কিছু। ফ্যাশন, লাইফস্টাইল এবং টেক ক্যাটাগরিতে থাকছে বিশেষ ঈদ ছাড়, এক্সক্লুসিভ লঞ্চ এবং আকর্ষণীয় বান্ডেল অফার। এছাড়াও বিকাশ, নগদ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস এবং ব্যাংক কার্ডে থাকছে বিশেষ ক্যাশব্যাক ও ইনস্ট্যান্ট ডিসকাউন্ট অফার। যা ঈদের কেনাকাটাকে করবে আরও সাশ্রয়ী ও আনন্দদায়ক।পছন্দের পণ্য কিনতে সর্ববৃহৎ শপিংমলে সকাল থেকেই সব শ্রেণির ক্রেতা ভিড় করছেন। এক শোরুম থেকে আরেক শোরুম ঘুরে কিনছেন হাল ফ্যাশনের বৈচিত্র্যময় পোশাক। পোশাক কেনা শেষ করে ক্রেতারা যাচ্ছেন জুতার শোরুমে। সেখান থেকে গহনার দোকানে। এছাড়া কসমেটিকস, ক্রোকারিজ, পারফিউমসহ সব ধরনের পণ্য থাকায় ঈদ ঘিরে জমজমাট যমুনা ফিউচার পার্ক। সঙ্গে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্সের শোরুমগুলোতেও ঈদ ঘিরে বিক্রি বেড়েছে। এতে খুশি বিক্রেতারা।শনিবার ইনফিনিটি, কে-ক্রাফট, অঞ্জনস, আড়ং, জিন্স অ্যান্ড কোম্পানি, টুয়েলভ, রেড, জেন্টল পার্ক, টিনস ক্লাব, প্লাস পয়েন্ট, কান্ট্রি বয়, রেঞ্জ, লা রিভ, আর্টিসান, টপ টেন পোশাকের ব্র্যান্ড ও শপগুলোতে প্রচুর ক্রেতা সমাগম লক্ষ্য করা গেছে।শপিংমলের বুটিক্স ল্যাবের স্বত্বাধিকারী সুমাইয়া আক্তার যুগান্তরকে বলেন, ক্রেতাদের আস্থার কথা চিন্তা করে গ্রাউন্ড ফ্লোরে আমাদের আরেকটি আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে। যেখানে ঈদ বাজার উপলক্ষ্যে ৫ জুন পর্যন্ত সব ধরনের পোশাকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়ে পণ্য বিক্রি হবে। এছাড়া শনিবার প্রত্যেকটি পোশাকে ৩০০ টাকা করে ডিসকাউন্টে বিক্রি হচ্ছে।

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করা হতে পারে এবং ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর মাস থেকে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আচরণবিধি ও বিধিমালায় সংশোধন আনার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কাঠামো অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম ইউপি নির্বাচন দিয়েই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হতে পারে। এর মধ্যে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের শর্ত প্রত্যাহার, পোস্টারবিহীন প্রচারণা এবং ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়গুলো রয়েছে। একই সঙ্গে ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থাও থাকছে না।নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য আলাদা অঙ্গীকারনামার পরিবর্তে হলফনামার সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থীতা সীমাবদ্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত জানাতে পারেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এই প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

ঈদের শুভেচ্ছায় বালিজুড়িবাসীর পাশে রাকিবুল ইসলাম বকুল, চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ এই নেতা

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ঈদের আনন্দ, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ সবার জীবনে বয়ে আসুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি ইউনিয়নবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার ৪ নং বালিজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বর্তমানে তৃণমূলের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মির্জাপুর গ্রামের এই তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানবিক নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন তিনি। ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এলাকাবাসীর মতে, একজন সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।রাজনৈতিক অঙ্গনে রাকিবুল ইসলাম বকুলের উত্থান একদিনে হয়নি। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। নানা প্রতিকূলতা, দমন-পীড়ন ও প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে হামলা ও মামলার মুখোমুখি হলেও তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং দলীয় আদর্শ ও তৃণমূল মানুষের পাশে থেকে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন।এলাকাবাসীর মতে, রাকিবুল ইসলাম বকুল শুধু রাজনৈতিক কর্মী নন, তিনি একজন মানবিক মানুষও। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ, যুবসমাজকে সংগঠিত করা এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার কারণেই তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন।বালিজুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে হাট-বাজার, মাঠঘাট থেকে সামাজিক আড্ডা—সবখানেই এখন উচ্চারিত হচ্ছে একটি নাম, মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। অনেকেই মনে করছেন, দলীয় সমর্থন ও জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচনে অংশ নিলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন।স্থানীয় ভোটারদের ভাষ্য, তারা এমন একজন জনপ্রতিনিধি চান যিনি তৃণমূলের ভাষা বোঝেন, মানুষের দুঃখ-কষ্ট উপলব্ধি করেন এবং উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তব কাজের মাধ্যমে ইউনিয়নকে এগিয়ে নিতে পারবেন। সেই জায়গা থেকেই রাকিবুল ইসলাম বকুলকে এগিয়ে রাখছেন তারা।ঈদের এই আনন্দঘন মুহূর্তে ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া। আমি সবসময় বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকবো ইনশাআল্লাহ। সকলকে পবিত্র ঈদুল আজহার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক।”ইউনিয়নজুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই নাম—মো. রাকিবুল ইসলাম বকুল। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই তরুণ নেতৃত্ব আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কতটা চমক দেখাতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে বালিজুড়ি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

এক-এগারো’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা, আলোচনায় দুই সম্পাদক

ঈদের পর অভিযোগ দাখিলের প্রস্তুতি, তদন্তে উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য / এক-এগারো’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা, আলোচনায় দুই সম্পাদক

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির রাজনৈতিক পটপরিবর্তনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ঈদের পর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হতে পারে। তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, ওই সময়ের ক্ষমতা পরিবর্তন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি বলেন, এক-এগারোর সময় সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দাবি, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে এক-এগারোর পেছনের পরিকল্পনা ও বিভিন্ন পক্ষের সম্পৃক্ততার নানা তথ্য। তদন্তে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদের পাশাপাশি দেশের দুই প্রভাবশালী সম্পাদক—মতিউর রহমান ও মাহফুজ আনামের নামও আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে।সূত্র বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে অংশ নেওয়া কয়েকজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পেছনে সুশীল সমাজের একটি অংশ সক্রিয় ছিল। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় কিছু সংবাদমাধ্যম রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়ে জনমনে বিরাজনীতিকরণের ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে।তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এক-এগারোর আগে ও পরে প্রকাশিত বিভিন্ন সম্পাদকীয়, কলাম এবং বিশেষ প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন ব্যবস্থা এবং নেতৃত্ব নিয়ে প্রকাশিত লেখাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেছেন, এক-এগারোর পরিকল্পনায় সেনাবাহিনী শুরু থেকেই জড়িত ছিল না; বরং শেষ পর্যায়ে এসে পরিস্থিতির অংশ হয়। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক চাপ এবং দেশের অস্থির পরিস্থিতিকে সামনে রেখেই তখনকার সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছিল।অন্যদিকে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান জেনারেল (অব.) মামুন খালেদ তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, ক্ষমতা পরিবর্তনের কয়েকদিন আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বৈঠক হয়েছিল। সেখানে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয় বলে তিনি দাবি করেন।তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই সময়ের সংবাদমাধ্যম, গোয়েন্দা সংস্থা এবং প্রশাসনের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে প্রচার, তথাকথিত ‘মাইনাস টু’ পরিকল্পনা এবং সংস্কারপন্থি রাজনীতির প্রসঙ্গ তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।এদিকে ট্রাইব্যুনাল-সংশ্লিষ্ট একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, এক-এগারোর সময় সংঘটিত নির্যাতন, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত আগামী মাস থেকেই শুরু হতে পারে।

আওয়ামী লীগ ফিরবে রাজনীতিতে, আগামী নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে: তৌহিদ হোসেন

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চিঠির জবাব আশা করেননি সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা / আওয়ামী লীগ ফিরবে রাজনীতিতে, আগামী নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে: তৌহিদ হোসেন

 রাজনৈতিক অঙ্গনে আওয়ামী লীগের উপস্থিতি পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেন। তিনি মনে করেন, ভবিষ্যতে দলটি আবারও সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবে এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনেও অংশ নিতে পারে।একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দিল্লির কাছে চিঠি পাঠানো হলেও সেটির ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার সম্ভাবনা খুব কম ছিল। এ বিষয়ে তার ভাষ্য, চিঠির জবাব পাওয়ার বিষয়ে তিনি শুরু থেকেই আশাবাদী ছিলেন না।তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের মানুষের রাজনৈতিক স্মৃতি দীর্ঘস্থায়ী নয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতি দেখে আওয়ামী লীগকে রাজনীতি থেকে পুরোপুরি বিদায় হয়ে গেছে বলে মনে করার সুযোগ নেই। সময়ের ব্যবধানে দলটি আবারও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় হতে পারে।সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানান, দায়িত্ব পালনকালে অন্তত তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্টরা তাকে বুঝিয়েছেন, এমন সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভোটের মাত্র কয়েকদিন আগে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি প্রসঙ্গে সাবেক এই কূটনীতিক বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। বরং বিষয়টি দেখভাল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার কার্যালয়।জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং তথাকথিত ‘ডিপস্টেট’ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তৌহিদ হোসেন বলেন, বিশ্বের প্রায় সব বড় রাজনৈতিক ঘটনার পেছনেই কোনো না কোনোভাবে প্রভাবশালী গোষ্ঠীর ভূমিকা থাকে।

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ  কলেজ শিক্ষক সমিতি  মাদারগঞ্জ শাখার আয়োজনে মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল এমপিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।  রোববার দুপুরে মাদারগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়াম হলরুমে কলেজ শিক্ষক সমিতি মাদারগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।  অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অ:দ:) মোঃ ছানোয়ার হোসেন,  মাদারগঞ্জ পৌর বিএনপি সভাপতি আব্দুল গফুর,উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রতন আকন্দ ও সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান,  পৌর বিএনপি সাধারন সম্পাদক খালেদ মাসুদ তালুকদার সোহেল,   জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গাজীপুর উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিম, মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতি'র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রমূখ।  সভাপতিত্ব করেন মাদারগঞ্জ শিক্ষক/কল্যাণ সমিতি সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন।  সঞ্চালনায় সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রকিব হাসনাত।  এরপূর্বে  শিক্ষক/কল্যাণ সমিতির সভাপতি মোঃ রকিবুল ইসলাম লিটন ও সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম এর নেতৃত্বে'  মাদারগঞ্জ  মাদ্রাসা শিক্ষক/কর্মচারী কল্যাণ সমিতি'র সভাপতি আ. মোত্তালিব সেলিমের নেতৃত্বে' মির্জা আজম কলেজ প্রস্তাবিত গুনেরবাড়ী কলেজ এর অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াহাব এর নেতৃত্বে শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ' খাঁজা শাহ সূফী ইউনূস আলী কলেজ এর সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে' তেঘরিয়া সাহেদ আলী স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক ও মাদারগঞ্জ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মিষ্টার বিএসসি'র নেতৃত্ব' বিনোদটঙ্গী'ধলিরবন্দর কারিগরি কলেজ এর অধ্যক্ষ হামিদুর রহমানের নেতৃত্বে' মাহমুদা-বেলাল মহিলা কলেজ এর অধ্যক্ষের নেতৃত্বে' আলমগীর কবির আনোয়ারা-আজিজ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর কবির এর নেতৃত্বে' বালিজুড়ী নুরুন্নাহার মির্জা কাশেম মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বেসহ উপজেলার বিভিন্ন কলেজের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল কে  ফুলেল শুভেচছা জানান ।  এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মোঃ মজনু ফকির ও উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোখলেছুর রহমান মুখলেস সহ মাদারগঞ্জ উপজেলার কলেজ শিক্ষক/কর্মচারীবৃন্দ'সাংবাদিকবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন।

আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

আচরণবিধিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত; অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে যাচ্ছে না নির্বাচন কমিশন / আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট শুরু অক্টোবরে

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের নতুন ধাপ শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল আগামী আগস্টে ঘোষণা করা হতে পারে এবং ভোটগ্রহণ শুরু হতে পারে অক্টোবর মাস থেকে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন আচরণবিধি ও বিধিমালায় সংশোধন আনার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।ইসি কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আইনগত কাঠামো অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ কারণে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম ইউপি নির্বাচন দিয়েই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হতে পারে। এর মধ্যে প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ বৃদ্ধি, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সুযোগ বাতিল, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য এক শতাংশ সমর্থকের স্বাক্ষরের শর্ত প্রত্যাহার, পোস্টারবিহীন প্রচারণা এবং ইভিএম ব্যবহার না করার বিষয়গুলো রয়েছে। একই সঙ্গে ডাকযোগে ভোট প্রদানের ব্যবস্থাও থাকছে না।নতুন বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য আলাদা অঙ্গীকারনামার পরিবর্তে হলফনামার সঙ্গে একটি ঘোষণাপত্র যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে। সেখানে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে প্রার্থীতা সীমাবদ্ধ করা হবে না বলেও জানিয়েছে কমিশন। আইনগত যোগ্যতা পূরণ করলে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।এদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম বা অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সংলাপের পরিকল্পনা নেই। পরিবর্তিত আইন ও বিধিমালার খসড়া কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত জানাতে পারেন। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশনের এই প্রস্তুতি স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে ফিরছেন রোগীরা, আর পাশের ডোবায় ভাসছে ‘সরকারি সম্পত্তি’ লেখা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ; তদন্তের আশ্বাস কর্তৃপক্ষের / ডোবায় মিলল সরকারি ওষুধের স্তূপ: ইসলামপুরে স্বাস্থ্যসেবায় চরম অনিয়মের অভিযোগ

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বেলগাছা ইউনিয়নের ধনতলা কমিউনিটি ক্লিনিক ঘিরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা সামনে এসেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার আশায় যেখানে প্রতিদিন ভিড় করেন অসংখ্য রোগী, সেই ক্লিনিকের পাশের একটি ডোবায় মিলেছে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধের স্তূপ।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে স্থানীয়রা প্রথমে লক্ষ্য করেন, ক্লিনিক সংলগ্ন ডোবায় ট্যাবলেট, সিরাপ ও ক্যাপসুল ভাসছে। অল্প সময়ের মধ্যেই খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ সেখানে ভিড় করেন। উদ্ধার হওয়া ওষুধের প্যাকেটে স্পষ্টভাবে ‘সরকারি সম্পত্তি, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ’ লেখা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।স্থানীয় বাসিন্দা জমিলা খাতুন অভিযোগ করেন, ওষুধের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে এসে প্রায়ই খালি হাতে ফিরতে হয় তাদের। তিনি বলেন, “মাইলের পর মাইল হেঁটে ক্লিনিকে আসি, কিন্তু বলা হয় ওষুধ নেই। অথচ আজ দেখি সেই ওষুধই ডোবায় পড়ে নষ্ট হচ্ছে।”আরেক বাসিন্দা রোকেয়া খাতুন জানান, ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ প্রায়ই দাবি করে যে সরকারি বরাদ্দ নেই। তবে ডোবায় বিপুল পরিমাণ ওষুধ পাওয়া যাওয়ায় সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীর উপস্থিতি না থাকা এবং ওষুধ সঠিকভাবে বিতরণ না করার কারণে এসব ওষুধ দীর্ঘদিন জমে ছিল। পরে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে প্রমাণ গোপনের উদ্দেশ্যে সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে তারা সন্দেহ করছেন।এ বিষয়ে ক্লিনিকের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী মো. মিস্টার জানান, তিনি সম্প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, “আমি নতুন দায়িত্ব পেয়েছি। এখানে আরও দুজন কাজ করেন। ওষুধগুলো কীভাবে এখানে এল, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ. এ. এম আবু তাহের জানান, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তবে ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তদন্তে অবহেলা বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান। এদিকে সরকারি সম্পদের এমন অপচয় এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। তাদের দাবি, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অনিয়ম আর না ঘটে।